middle ad

তোমাকে চাই । Bangla Short Story । Bangla Love Story | Bangla Short Story Lakshmi | Tech Life Technology | Love story

 পিচ্চি কথাটা শুনতেই আমি তার কাছে গিয়ে তার গালে একটা KiSS বসিয়ে দিয়ে এক দৌড়ে নিজের রুমে চলে এসেছিলাম কারন আর এক মিনিট যদি ওখানে দারাতাম তাহলে উনি আমাকে অনেক কথা শুনাতেন


পরের দিন সকাল বেলা স্কুলে যাওরার সময় দেখলাম রেহান ভাইয়া মিঠি আপু আর তিশা আপু মিলে গল্প করছে আর কি যেন একটা খাচ্ছে,, রাগে আমার নিজের চুলগুলো ছিরতে ইচ্ছা করছিল আর মিঠি আপু রেহান ভাইয়ার দিকে এমনভাবে তাকায় যেন অনেক দিন আগের হারানো স্বামী খোঁজে পাইছে,,জাস্ট অসয্য লাগে
আমাকে দেখে তিশা আপু ডেকে বললেন,
-এই নিসা এদিকে আয়,,
তারপর আমি গিয়ে দেখি ৩ জন মিলে নুন মরিচ দিয়ে তেঁতু খাচ্ছে যা দেখে আমার জিবে পানি চলে আসছিল আমি তারাতারি করে বাটি থেকে একটু তেঁতু আঙুলে নিয়ে যেই মুখে দিব তখনি রেহান ভাইয়া বলে উঠলেন,,,
-তুই তেঁতু খাস না,,,, পিচ্চি মেয়ে এত্ত টক খেলে আর লম্বা হবি না পরে বিয়ে দিতে কষ্ট হবে,,টেবিলে তর জন্য দুধ রাখা আছে ঐটা খা
কথাটা বলার পর তারা ৩ জন হাসাহাসি শুরু করে আর আমার চোখ দিয়ে পানি পরতে থাকে মনে মনে ভাবছিলাম উনি আমাকে সুধু পিচ্চি ভাবেন না খাটোও ভাবেন আমি তেঁতুটা ফেলে স্কুলে চলে যাই,,তিশা, মিঠি আপু পিছন থেকে অনেক ডাকছিলেন কিন্তু আমি সাড়া দেই নি অনেক ঘৃন পেয়েছিলাম ,বিকেল বেলা স্কুল থেকে ফিরে এসে দেখি বাড়িতে অতিথি এসেছেন রেহান ভাইয়ার নানুর বাড়ির লোক,,,রিয়া আপুও এসেছে দেখছি (রিয়া রেহান ভাইয়ার মামাতো বোন, রেহানের জন্য একদম দিভানি তারপর আমি ফ্রেশ হয়ে যেই না রেহান ভাইয়ার রুমের দিকে যাব পেছন থেকে রিয়া আপু আমাকে ডাকছেন,,,
-নিসা এই নিসা শুনছ?
- পিছ ফিরে কি হইছে আপু (চেহারায় বিরক্তিকর ভাব নিয়ে
-একটু এদিকে আসো,,
-জি বলেন,,
-আচ্ছা তুমি আপুর একটা কাজ করে দিতে পারবা?? কিন্তু কাওকে বলতে পারবা না
-কি কাজ আপু??
-তুমি এটা নিয়ে রেহানকে দিবা ওকে আমার হাতে একটা চিঠি দিয়ে
-কি এটা আপু ??
-তুমি বুজবা না তুমি অনেক ছোট,,তুমি জাস্ট এটা নিয়ে রেহানকে দিবা
মনে মনে হাযারটা গালি দিয়ে বললাম,,
-আচ্ছা আপু দিয়ে দিব নে,,Dont Worry
রিয়া আপু চলে যেতেই চিঠিটাকে ১০০০ টা অংশে ভাগ করলাম,,(যত্তসব আলতু ফালতু মেয়ে তারপর রেহান ভাইয়ার রুমে ডুকতেই দেখলাম মিঠি আপু চৌতি আপু তিশা আপু আর রেহান ভাইয়া মিলে খাতায় কিছু খেলছে আর হাসাহাসিও করছে আমি জানি এখন আমি ওখানে গেলে রেহান ভাইয়া কিছু না কিছু একটা বলে আমাকে অপমান করবেই তাই দরজা থেকেই ফিরে এসেছি,, রাতে একান্ত মনে পড়ার টেবিলে বসে ভাবছিলাম আমি যে উনাকে কত ভালবাসি তাতো তিনি বুজেন না আর আমি তার খারাপ আচরনে যে অনেক বেশি কষ্ট পাই তাও তিনি বুজেন না ঐ দিন রাতে অনেক কান্নাকরেছিলাম,,পরের দিন স্কুল থেকে ফিরার পর শুনি রেহান ভাইয়া নাকি বাইক এক্সিডেন্ট করছে পরিবারের সবাই হতাশ তবে আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের কোন হ্মতি হয় নাই হাতে ব্যাথা পেয়েছেন কিছু দিন বিশ্রাম নিলে সুস্থ হয় উঠবেন,,,কথা শুনা মাত্রই এক দৌড়ে রেহান ভাইয়ার রুমে এসে দেখি হাতে ব্যান্ডেজ,,,,,,,,,,,,,
চলবে



Similar Videos